রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

২০-৩০ ফুট গর্ত করে কেটে নেওয়া হচ্ছে মাটি

কৃষি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে ‘সোনার বাংলা’ ইটভাটা

জাহেদুল ইসলাম প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৫০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কৃষি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে ‘সোনার বাংলা’ ইটভাটা

default

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কৃষি জমির মাটি কেটে ভয়াবহ পরিবেশ ও কৃষি বিপর্যয়ের অভিযোগে শাস্তির মুখে পড়েছে ‘সোনার বাংলা’ নামক একটি ইটভাটা। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে কৃষি জমির মাটি অবৈধভাবে কেটে নেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মরফলা এলাকায় অবস্থিত ইটভাটাটিকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামছুজ্জামানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে দেখা যায়, ইটভাটার আশপাশের একাধিক ফসলি জমি থেকে ২০ থেকে ৩০ ফুট গভীর গর্ত করে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এসব মাটি সরাসরি ইটভাটার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, এভাবে গভীর গর্ত করে মাটি কাটার ফলে শুধু ওই জমিগুলোই নয়, পাশের আবাদি জমিগুলোও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অতিরিক্ত গভীর গর্তের কারণে যে কোনো সময় পাশের জমি ধসে পড়তে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে ধান ও অন্যান্য ফসলের ক্ষেত। এতে কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় সোনার বাংলা ইটভাটাকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে ৭ দিনের মধ্যে সব গর্ত ভরাট করে জমি সমতল করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ইটভাটার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আর মাটি না কাটার অঙ্গীকারসহ লিখিত মুচলেকা গ্রহণ করা হয়। নির্দেশনা অমান্য করা হলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামছুজ্জামান।

তিনি বলেন, ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে ২০–৩০ ফুট গভীর করে মাটি কাটার সত্যতা পাওয়া গেছে। এতে আশপাশের জমি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এজন্য তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৭ দিনের মধ্যে গর্ত ভরাটের নির্দেশ দিয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ফসলি জমির ওপরের উর্বর টপসয়েল কেটে নেওয়া হলে সেই জমি দীর্ঘদিন চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। জমির স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা নষ্ট হয়, ফলে বোরো ও আমন মৌসুমে পানি সংকট তৈরি হয়। একই সঙ্গে জমিতে ফসলের ফলন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। এছাড়া গভীর গর্তের কারণে বৃষ্টির সময় জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, পাশের জমির মাটি সরে গিয়ে ধস নামতে পারে, শিশু ও গবাদিপশুর জন্য মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর একই ইটভাটাকে অবৈধভাবে কৃষি জমি দখল করে ইটভাটা স্থাপন ও পরিচালনার দায়ে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। সে সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন–২০১৩ এর ১৮ ধারায় এ দণ্ড দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার জরিমানা হলেও সোনার বাংলা ইটভাটা কর্তৃপক্ষ অনিয়ম বন্ধ না করে সুযোগ বুঝে আবারও ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষি জমি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে অবৈধ ইটভাটা এবং মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে নির্দেশনা অমান্য করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ফসলি কৃষি জমি ও পরিবেশ রক্ষা প্রশাসনের অগ্রাধিকার। অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কেটে ইটভাটা পরিচালনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সোনার বাংলা ইটভাটার বিরুদ্ধে আগেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এবারও আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নির্দেশনা অমান্য করলে ইটভাটা বন্ধসহ আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পলাতক জীবনের অবসান

দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি সেখানে আটক রয়েছেন। দুবাইয়ের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) বাংলাদেশকে জানিয়েছে, গ্রেফতারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) আবেদন করতে হবে। সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটি বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। অপরাধী যত প্রভাবশালী বা শক্তিশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।”
জানা গেছে, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই কন্যার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে দুদক। এসব মামলায় প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পর আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন। পরে আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাকে দুবাইয়ে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই দুর্নীতি মামলায় বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারকে দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নজর রয়েছে তাকে কবে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হয়।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে বর্তমান চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কক্সবাজার অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও পর্যটন গুরুত্ব বিবেচনায় মহাসড়কটির সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
তারেক রহমান বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি যে সড়ক দেখে গিয়েছিলেন, তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখনো হয়নি। এ সময়ে কক্সবাজারের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার কারণে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে। এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে আধুনিক ও অধিক সক্ষম সড়কে রূপান্তর করা প্রয়োজন। তিনি জানান, যানবাহনের বাড়তি চাপ ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চাহিদা বিবেচনায় মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লবণচাষিদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য থেকে অনেক চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তনে সরকার মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেবে, যাতে চাষিরা উৎপাদিত লবণের উপযুক্ত দাম পান।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটটি সাধারণ মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়ও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে তিনি বলেন, দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী বাজেটে ৪২ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব উদ্যোগ তাঁর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ কর্মসূচির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল। পাশাপাশি লবণচাষীরা যাতে প্রতি কেজি লবণের ন্যূনতম ১৫ টাকা মূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এমপি। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এর আগে একই দিন কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা হিসেবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরন করা হয়েছে।

শনিবার(১৩জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং পদুয়া বনরেঞ্জ ও টংকাবতী বিটের উদ্যোগে চরম্বা মাইজবিলা এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আমীর সহ গণমাধ্যম কর্মী ও বন বিভাগের স্টাফবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে ওই এলাকায় বনবিভাগের পক্ষ থেকে রোপনকৃত বাগানটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ, পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ।

ইউএনও মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অধিক সংখ্যক গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত: কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।