রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রু কে মনোয়ন প্রদানের জন্য জেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দাবী

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রু কে মনোয়ন প্রদানের জন্য জেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দাবী

বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও দীর্ঘদিনের পরিক্ষিত নেতা রাজ পরিবারের অন্যতম সদস্য সাশৈপ্রু কে মনোয়ন প্রদানের জন্য বান্দরবান জেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আবেদন করেছেন। বান্দরবান জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি, যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রশিদ, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর মাবুদ, যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান মিটন, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম আহবায়ক আমির হোসেন আমু, যুগ্ম আহবায়ক নেজাম উদ্দিন চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির সকল সদস্য, জাতীয়তাবাদী যুবদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, ছাত্রদল, তাঁতী দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবিদল, ওলামা দল সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রানালয়ে মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের উল্লেখ্য করেন, বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাশৈপ্রু বান্দরবান বিএনপির প্রতিষ্ঠকালীন সদস্য, তিনি জাগদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে বান্দরবানে যে কয়েকজন ব্যক্তির রাজনীতির হাতগড়ি হয়েছিল তার মধ্যে তিনি অন্যতম। লিখিত আবেদনে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান সুয়ালক ম্রো কমপ্লেক্স এলাকায় রাত্রী যাপনকালীন বোমাং রাজা প্রতিমন্ত্রী উ অংশৈ প্রু চৌধুরীর ভাগিনা হিসাবে আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯৩ সালে টাউন হলে বিএনপি বান্দরবান জেলা কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কমিটির প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১/১১ এর পূর্বেও তাকে বিএনপি সকল প্রকার কর্মসূচীতে সক্রীয় ও তিনি বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী স্বৈরচার ও ফ্যাস্টিট সরকার আমলে নির্যাতন ও হয়রানী শিকার হয়েছেন। অবরোধ ও হরতালের মত কঠোর আন্দোলনে সক্রীয় ভূমিকা পালন করেছেন। পুলিশের তৎপরতার কারণে অগনিত দিন ঘর ছাড়া ছিলেন। নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে বিএনপির সকল প্রকার কর্মসূচী বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি একজন কর্মীবান্ধব সকলের প্রিয়ভাজন নেতা। তিনি একজন বোমাং সার্কেলের রাজপ্রথার ৩৬৩নং আলেক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান)। নেতৃৃবন্দের মধ্যে আরো স্বাক্ষর করেন, জেলা বিএনপি সদস্য নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস শুক্কুর, জেলা বিএনপির সদস্য সাবিকুর রহমান জুয়েল, জেলা বিএনপির সদস্য থোয়াইনু অং চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মুছা, জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম কোম্পানী, জেলা বিএনপির সদস্য মংক্যনু চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য শ্যামল কান্তি বড়ুয়া, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য আবু তাহের মিয়া, জেলা বিএনপির সদস্য আবু বক্কর, জেলা বিএনপির সদস্য আবুল হাশেম, জেলা বিএনপির সদস্য মংশৈম্রায়, জেলা বিএনপির সদস্য শৈসাঅং, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য নু মংপ্রু মার্মা, জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জহির উদ্দিন (মাসুম), সাধারন সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল শুক্কুর, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিরুতাজ বেগম, সিনিয়র সহ-সভাপতি উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু বক্কর, প্রচার সম্পাদক মোঃ রিদুয়ানুল হক, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবুল হাসেম, সাধারন সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইয়াছিনুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন ভূঁইয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলী হায়দার বাবুল, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অমিত ভূষন তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলিম, জেলা জাসাস সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক থুইমংপ্রু, যুগ্ম আহবায়ক রুবেল মহাজন, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শ্যামল তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা জিয়ামঞ্চ এ আহবায়ক মোঃ হেলার উদ্দিন স্বাধীন, সদস্য সহিব মহিউদ্দিন, বান্দরবান সদর উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ আয়ুব আলী, সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিিরশ চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সুবীর তঞ্চঙ্গ্যা, সাবেক সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন (মেম্বার) সাবেক সদস্য মানন্ত তঞ্চঙ্গ্যা (শান্ত), সদর মংক্যপু মার্মা, সদস্য ওয়াপ্রæমং মার্মা, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আলম কোং, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল আহমদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক কামার উদ্দিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন বাহাদুর, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শ্রমিকদলের আহবায়ক ইয়াহিয়া খান মামুন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য আমিরুল কবির , সাবেক ছাত্রনেতা উছাইমং মার্মা, সাবেক থানচি উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যা খামলাই ম্রো, সাবেক জেলা বিএনপির সদস্য মং সই ম্রায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শৈসাঅং, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মানন্ত তঞ্চঙ্গ্যা, থানচি উপজেলা বিএনপি সাবেক সহ-সভাপি ক্যসাউ মার্মা, সাবেক রুমা উপজেলার বিএনপি সহসভাপতি থুইমঅং প্রমুখ।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাশৈপ্রু বলেন আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতের স্পর্শ পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী। ১৯৮০ সালে বান্দরবানের সুয়ালকে সফর কালে তিনি তার পবিত্র হাত আমার কার্ধে রেখে বলেিেছলেন “ইয়ংম্যান এগিয়ে যাও, পার্বত্য এলাকায় উন্নয়নে দুধের নহর বাসিয়ে দাও
”। তার এ কথার পর থেকে একজন সক্রীয় জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী হিসেবে অদ্যাবধি কাজ করে যাচ্ছি। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রশিদ বলেন, সাশৈপ্রু একজন দলের নিবেদিত নেতা, তিনি গত ১৭ বছর ফ্যাস্টিস সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিটি কর্মসূচীতের সক্রীয় অংশ গ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকা এবং চট্টগ্রামে প্রতিটি মহাসমাবেশে বান্দরবানের পক্ষে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আবেদনে নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন, তিনি ১৩ তম বোমাং রাজা উক্যজসাই এবং ১৪ তম বোমাংরাজা উ অংশৈ প্রু চৌধুরীর ভাগিনা এবং ১৬ তম রাজা উ ক্যসাই প্রু এর ভাগিনা এবং ১৭ তম বর্তমান বোমাং রাজা উ উচপ্রু এর চাচাত ভাই। অর্থাৎ বর্তমানে বোমাং রাজ পরিবারের জৈষ্ঠতম ব্যক্তিদের ভেতর একজন। তিনি জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার গ্রহণ যোগ্য ব্যক্তিত্ব। বান্দরবান পার্বত্য জেলার সকল ধরনের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের অগ্রণী ভূমিকা পালনে যথাযথ এক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করে থাকি।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে বর্তমান চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কক্সবাজার অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও পর্যটন গুরুত্ব বিবেচনায় মহাসড়কটির সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
তারেক রহমান বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি যে সড়ক দেখে গিয়েছিলেন, তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখনো হয়নি। এ সময়ে কক্সবাজারের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার কারণে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে। এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে আধুনিক ও অধিক সক্ষম সড়কে রূপান্তর করা প্রয়োজন। তিনি জানান, যানবাহনের বাড়তি চাপ ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চাহিদা বিবেচনায় মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লবণচাষিদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য থেকে অনেক চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তনে সরকার মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেবে, যাতে চাষিরা উৎপাদিত লবণের উপযুক্ত দাম পান।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটটি সাধারণ মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়ও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে তিনি বলেন, দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী বাজেটে ৪২ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব উদ্যোগ তাঁর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ কর্মসূচির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল। পাশাপাশি লবণচাষীরা যাতে প্রতি কেজি লবণের ন্যূনতম ১৫ টাকা মূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এমপি। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এর আগে একই দিন কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা হিসেবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরন করা হয়েছে।

শনিবার(১৩জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং পদুয়া বনরেঞ্জ ও টংকাবতী বিটের উদ্যোগে চরম্বা মাইজবিলা এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আমীর সহ গণমাধ্যম কর্মী ও বন বিভাগের স্টাফবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে ওই এলাকায় বনবিভাগের পক্ষ থেকে রোপনকৃত বাগানটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ, পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ।

ইউএনও মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অধিক সংখ্যক গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত: কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫৬ পিএম
বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসুচির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক বাস্তবায়িত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

১৮০ দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকালে বান্দরবানের সদর উপজেলার রেইছা-গোয়ালিয়াখোলা সড়কে দু-পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর রাঙ্গামাটি অঞ্চল এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(এসি) মো: শরীফ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বান্দরবান নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান।

এসময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)সদর উপজেলা প্রকৌশলী অনুপম সিকদারসহ এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে পরিবেশবান্ধব ও ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশি­ষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)বান্দরবান নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান বলেন,”বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি পরিবেশ ও মানব কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। এলজিইডির উদ্যোগে সড়কের পাশে সবুজ বেষ্টনী গড়ে উঠলে পরিবেশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণও নানাভাবে উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা সড়কের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।