রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সরকারকে আর বেশি সময় নয়, পরিবর্তন চাই: ডা. শফিকুর রহমান

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:২৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সরকারকে আর বেশি সময় নয়, পরিবর্তন চাই: ডা. শফিকুর রহমান

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আর বেশি সময় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “সময় খুব সীমিত। সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না এলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে ১১–দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারকে জনগণের রায় ও গণভোটের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে। স্বেচ্ছায় তা বাস্তবায়ন না করলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ১৯৯৬ সালের মতো রূপ নিতে পারে। তিনি বলেন, “যেভাবে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করতে সরকার বাধ্য হয়েছিল, এবারও জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে একই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। ভালোয় ভালোয় জনগণের দাবি মেনে নিন, মানুষকে রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না।”
নেতা-কর্মীদের জেল কিংবা ফাঁসির ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “দেশ ও জনগণের স্বার্থে আমরা বারবার কারাবরণ করতে এবং প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত। মনে রাখতে হবে, জেলের তালা কিংবা চাবির মালিক—কেউই স্থায়ী নয়।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারে একজন ‘সর্ববিষয় বিশারদ’ মন্ত্রী রয়েছেন, যিনি প্রায় সব মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও তাঁকেই দিতে হয়। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভায় ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য বিব্রতকর।
কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিরোধী দল বাজেটে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ওপর কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করেছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। “বাজেটের সমালোচনা করা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। বিরোধী মতকে সম্মান করার মানসিকতা থাকতে হবে,” বলেন তিনি।
জাতীয় সংসদে কথা বলার পরিবেশ নেই উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংসদে কথা বলার সুযোগ না পেয়ে আমরা জনগণের সংসদ, অর্থাৎ রাজপথে চলে এসেছি।” তিনি দাবি করেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ জাতীয় স্বার্থ ও সীমান্ত রক্ষায় সজাগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার পর মানুষ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি কমার আশা করেছিল। কিন্তু বাস্তবে চাঁদাবাজি বেড়েছে এবং দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।

 


সমাবেশে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান বাজেটে দুর্নীতি, লুটপাট ও ব্যাংক খাতের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। তিনি অভিযোগ করেন, এই বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত এবং এর বাস্তবায়নে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “দেশে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইসলামী ব্যাংককে আবারও এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে, যা জনগণ মেনে নেবে না।
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসানকে পুলিশের মারধরের অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী পুলিশ, দুদক ও বিচার বিভাগে সংস্কার জরুরি। “পুলিশ সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর আবারও নির্যাতন শুরু হয়েছে। সরকার যদি স্বৈরাচারী পথে হাঁটে, তবে জনগণও গণ-অভ্যুত্থানের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে,” বলেন তিনি।
সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়েও বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “কাঁটাতার ও গুলির মাধ্যমে বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠা হয় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জনগণ কখনো আপস করবে না।”

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মানুষ নিরাপদ বোধ করছে না। চুরি, ডাকাতি ও অপরাধ দমনে সরকারকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় পার্টির সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং ১১–দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদসহ অন্যান্য নেতারা।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে বর্তমান চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কক্সবাজার অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও পর্যটন গুরুত্ব বিবেচনায় মহাসড়কটির সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
তারেক রহমান বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি যে সড়ক দেখে গিয়েছিলেন, তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখনো হয়নি। এ সময়ে কক্সবাজারের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার কারণে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে। এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে আধুনিক ও অধিক সক্ষম সড়কে রূপান্তর করা প্রয়োজন। তিনি জানান, যানবাহনের বাড়তি চাপ ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চাহিদা বিবেচনায় মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লবণচাষিদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য থেকে অনেক চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তনে সরকার মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেবে, যাতে চাষিরা উৎপাদিত লবণের উপযুক্ত দাম পান।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটটি সাধারণ মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়ও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে তিনি বলেন, দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী বাজেটে ৪২ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব উদ্যোগ তাঁর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ কর্মসূচির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল। পাশাপাশি লবণচাষীরা যাতে প্রতি কেজি লবণের ন্যূনতম ১৫ টাকা মূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এমপি। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এর আগে একই দিন কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা হিসেবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরন করা হয়েছে।

শনিবার(১৩জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং পদুয়া বনরেঞ্জ ও টংকাবতী বিটের উদ্যোগে চরম্বা মাইজবিলা এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আমীর সহ গণমাধ্যম কর্মী ও বন বিভাগের স্টাফবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে ওই এলাকায় বনবিভাগের পক্ষ থেকে রোপনকৃত বাগানটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ, পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ।

ইউএনও মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অধিক সংখ্যক গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত: কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫৬ পিএম
বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসুচির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক বাস্তবায়িত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

১৮০ দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকালে বান্দরবানের সদর উপজেলার রেইছা-গোয়ালিয়াখোলা সড়কে দু-পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর রাঙ্গামাটি অঞ্চল এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(এসি) মো: শরীফ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বান্দরবান নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান।

এসময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)সদর উপজেলা প্রকৌশলী অনুপম সিকদারসহ এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে পরিবেশবান্ধব ও ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশি­ষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)বান্দরবান নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান বলেন,”বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি পরিবেশ ও মানব কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। এলজিইডির উদ্যোগে সড়কের পাশে সবুজ বেষ্টনী গড়ে উঠলে পরিবেশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণও নানাভাবে উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা সড়কের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।