রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দুর্নীতির লোডশেডিং নেই, চলছে ফুল ভোল্টেজে!

সাতকানিয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ‘জিল্লুরের জুলুমশাসন’

জাহেদুল ইসলাম প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৪২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাতকানিয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ‘জিল্লুরের জুলুমশাসন’

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সাতকানিয়া জোনাল অফিসের কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে চরম অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অবৈধভাবে মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, মিটার–বিল দেওয়া–নেওয়া, বিল কপি সংশোধনের নামে গ্রাহক হয়রানিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারীরা ওই কর্মচারীর চরম অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার পরেও প্রতিকার পাচ্ছেন না। তিনি বিগত স্বৈরাচার আমলে যা করে গেছেন, এখনো তা বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নতুন সংযোগের জন্য ওয়ারিং ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমানকে প্রতি মিটারে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ টাকা না দিলে দিনের পর দিন ঝুলিয়ে রাখা হয় নতুন সংযোগের প্রস্তাব।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রি বলেন, ওয়ারিং ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমানের প্রতিটি ইউনিয়নে কিছু নিজস্ব লোক রয়েছে। তাদের মাধ্যমে জিল্লুর রহমান টাকা সংগ্রহ করেন। কোনো সাধারণ মানুষ নতুন সংযোগের জন্য অফিসে গেলেই প্রথমে জিল্লুরের সাথে কথা বলতে হয়। এরপর শুরু হয় টাকা দাবির কাহিনী। তাদের নির্দিষ্ট কিছু বোর্ড–অনুমোদিত ইলেকট্রিশিয়ান রয়েছে—কেউ সার্ভিসের জন্য গেলে জিল্লুর ওই ইলেকট্রিশিয়ানের সাথে কথা বলতে বলেন। তখন ইলেকট্রিশিয়ানরা নতুন একটি মিটার সংযোগের সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে। যেখানে সরকারি নির্ধারিত খরচ প্রতি কিলোওয়াট ৪৮০ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা—সেখানে নেওয়া হচ্ছে চার–পাঁচ হাজার টাকা। আর সেই টাকা থেকেই নির্দিষ্ট একটি অংশ যায় জিল্লুর রহমানের পকেটে। এভাবে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

এওচিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ওয়াহিদারপাড়া এলাকার শামসুর আলম বলেন, আমার পরিবারে আরও একটি মিটার প্রয়োজন হওয়ায় আমি নতুন সংযোগের জন্য সাতকানিয়া জোনাল অফিসে যাই। অফিসের সামনে থাকা এক মুরব্বী ইলেকট্রিশিয়ানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কাগজপত্র দেখে জানান—এই সংযোগ সম্পন্ন করতে সরকারি খরচসহ সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অথচ সরকারি খরচ মাত্র ৪৮০ টাকা। এরপর অফিসের ডিজিএম–এর সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে ওয়ারিং ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমানের সাথে কথা বলতে বলেন। কাগজপত্র দেখে ওয়ারিং পরিদর্শনের জন্য যাতায়াত খরচ এক হাজার টাকা বলা হয়। তখন জিল্লুর রহমান বলে ওঠেন—এক হাজার টাকা কমই বলা হয়েছে, আরও বেশি নেওয়া উচিত ছিল। অর্থাৎ তাঁর নেতৃত্বে ইলেকট্রিশিয়ানদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে। এভাবে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ যদি তাদের কাছে জিম্মি হতে থাকে—মানুষ যাবে কোথায়?

ওয়ারিং ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমানের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে এ প্রতিবেদককে অফিসে গিয়ে তার সাথে দেখা করার কথা বলেন।

সাতকানিয়া জোনাল অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ওয়ারিং ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমানের অনিয়মের অভিযোগ আসছে। এতে অফিসের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমরা তাঁর সব অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি।

সাতকানিয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের কোনো কর্মকর্তা যদি সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে নতুন সংযোগ, মিটার ওয়্যারিং পরিদর্শন বা যাতায়াত খরচের নামে টাকা দাবি করে—এটা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রবিরোধী ও আইনবহির্ভূত। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেবো।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি–১ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী দিলীপ চন্দ্র চৌধুরী বলেন, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ঢাকায় থেকে তদন্ত চলছে। অন্যায়কারী যত বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন—সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পলাতক জীবনের অবসান

দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি সেখানে আটক রয়েছেন। দুবাইয়ের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) বাংলাদেশকে জানিয়েছে, গ্রেফতারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) আবেদন করতে হবে। সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটি বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। অপরাধী যত প্রভাবশালী বা শক্তিশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।”
জানা গেছে, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই কন্যার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে দুদক। এসব মামলায় প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পর আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন। পরে আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাকে দুবাইয়ে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই দুর্নীতি মামলায় বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারকে দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নজর রয়েছে তাকে কবে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হয়।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে বর্তমান চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কক্সবাজার অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও পর্যটন গুরুত্ব বিবেচনায় মহাসড়কটির সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
তারেক রহমান বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি যে সড়ক দেখে গিয়েছিলেন, তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখনো হয়নি। এ সময়ে কক্সবাজারের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার কারণে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে। এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে আধুনিক ও অধিক সক্ষম সড়কে রূপান্তর করা প্রয়োজন। তিনি জানান, যানবাহনের বাড়তি চাপ ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চাহিদা বিবেচনায় মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লবণচাষিদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য থেকে অনেক চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তনে সরকার মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেবে, যাতে চাষিরা উৎপাদিত লবণের উপযুক্ত দাম পান।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটটি সাধারণ মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়ও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে তিনি বলেন, দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী বাজেটে ৪২ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব উদ্যোগ তাঁর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ কর্মসূচির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল। পাশাপাশি লবণচাষীরা যাতে প্রতি কেজি লবণের ন্যূনতম ১৫ টাকা মূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এমপি। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এর আগে একই দিন কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা হিসেবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরন করা হয়েছে।

শনিবার(১৩জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং পদুয়া বনরেঞ্জ ও টংকাবতী বিটের উদ্যোগে চরম্বা মাইজবিলা এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আমীর সহ গণমাধ্যম কর্মী ও বন বিভাগের স্টাফবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে ওই এলাকায় বনবিভাগের পক্ষ থেকে রোপনকৃত বাগানটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ, পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ।

ইউএনও মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অধিক সংখ্যক গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত: কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।