রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

৫৫ বছরেও সেতু হয়নি, ভাঙা তক্তায় ঝুঁকিপূর্ণ জীবন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৫৫ বছরেও সেতু হয়নি, ভাঙা তক্তায় ঝুঁকিপূর্ণ জীবন

জাহাঙ্গীর আলম কাজল,নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন ও কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী দুর্গম জনপদে আজও নির্মিত হয়নি একটি সেতু।
হরিণখাইয়া নামের একটি খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙাচোরা কাঠের তক্তাই এখন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই অস্থায়ী সেতু দিয়ে পারাপার করছেন শিশু, নারী, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী মানুষ।
শনিবার (৪এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের ওপর স্থানীয়দের উদ্যোগে তৈরি করা কাঠের তক্তার সেতুটি বহু জায়গায় ভেঙে গেছে।
কোথাও তক্তা নেই, কোথাও নড়বড়ে। নিচে চাষাবাদের জন্য বাঁধ দিয়ে রাখা খাল ভর্তি পানি—যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
স্থানীয়রা জানান, এই খালটি দুই ইউনিয়নের একাধিক গ্রামের সংযোগস্থল। গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়াপাড়া, হরিণপাড়া, ঘোনাপাড়া, উত্তর থোয়াঙ্গাকাটা এবং বাইশারীর নারিচবুনিয়া এলাকার বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র পথ এটি।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে এই তক্তার সেতু পাড়ি দিয়ে যায় বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, বাইশারী দাখিল মাদ্রাসা, বাইশারী মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাইশারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলিমিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আলিমিয়া পাড়া দারুল ইহসান জুনিয়র দাখিল মাদ্রাসায়।
বর্ষা মৌসুম এলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে যায় পুরো সেতু। তখন যোগাযোগ একপ্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। জরুরি রোগীকে কাঁধে বা কোলে করে খাল পার করতে হয়। এমনকি মৃতদেহ বহন করাও হয়ে ওঠে কষ্টকর।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানানো হলেও আজ পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কথা স্মরণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন আলিমিয়া পাড়া দারুল ইহসান জুনিয়র দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোছাম্মৎ তামান্নার বাবা মো. আব্দুল খালেক। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমার মাইয়া স্কুল থেইকা ফিরার পথে বর্ষার পানিতে ভেসে গেছিল। আমরা শুধু লাশ পাইছি। একটা ব্রিজ থাকলে আজ আমার মাইয়া বাঁচতো।
আরেক শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিমের বাবা মো. মোতাহের বলেন, আমার ছেলেও ওই খালে তলায়ে গেছিল। সহপাঠীরা খবর দেওয়ায় বাঁচানো গেছে। প্রতিদিন ভয় নিয়ে থাকি—কখন কি হয়!
স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম, মো. দুদু মিয়া, মো. ইউনুস, মো. আব্দুর রশিদ, ছফুরা বেগম ও রুমি আক্তারসহ অনেকে বলেন, আমরা আর কতদিন এই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করবো? আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কি এভাবেই ঝুঁকির মধ্যে থাকবে? দ্রুত একটি পাকা সেতু চাই।
গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আব্দুল জব্বার স্বীকার করেন, এলাকাবাসীর যাতায়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
গর্জনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনিরুল আলম বলেন, বিষয়টি আমার জানা আছে। আমরা চেষ্টা করছি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়—দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ চান তারা। কারণ প্রতিটি দিনই এখানে জীবনের সঙ্গে লড়াই করে পথ চলতে হয়।
হরিণখাইয়া খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু—এটাই এখন এই জনপদের হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

পলাতক জীবনের অবসান

দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি সেখানে আটক রয়েছেন। দুবাইয়ের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) বাংলাদেশকে জানিয়েছে, গ্রেফতারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) আবেদন করতে হবে। সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটি বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। অপরাধী যত প্রভাবশালী বা শক্তিশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।”
জানা গেছে, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই কন্যার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে দুদক। এসব মামলায় প্রায় ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পর আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেন। পরে আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাকে দুবাইয়ে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই দুর্নীতি মামলায় বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারকে দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নজর রয়েছে তাকে কবে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হয়।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে বর্তমান চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কক্সবাজার অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও পর্যটন গুরুত্ব বিবেচনায় মহাসড়কটির সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
তারেক রহমান বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি যে সড়ক দেখে গিয়েছিলেন, তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এখনো হয়নি। এ সময়ে কক্সবাজারের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার কারণে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে। এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে আধুনিক ও অধিক সক্ষম সড়কে রূপান্তর করা প্রয়োজন। তিনি জানান, যানবাহনের বাড়তি চাপ ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চাহিদা বিবেচনায় মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লবণচাষিদের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য থেকে অনেক চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থার পরিবর্তনে সরকার মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেবে, যাতে চাষিরা উৎপাদিত লবণের উপযুক্ত দাম পান।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি উপস্থাপিত বাজেটটি সাধারণ মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয়ও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে তিনি বলেন, দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী বাজেটে ৪২ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব উদ্যোগ তাঁর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ কর্মসূচির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল। পাশাপাশি লবণচাষীরা যাতে প্রতি কেজি লবণের ন্যূনতম ১৫ টাকা মূল্য পান, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এমপি। এতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এর আগে একই দিন কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা হিসেবে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
লোহাগাড়ায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরন করা হয়েছে।

শনিবার(১৩জুন) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং পদুয়া বনরেঞ্জ ও টংকাবতী বিটের উদ্যোগে চরম্বা মাইজবিলা এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আমীর সহ গণমাধ্যম কর্মী ও বন বিভাগের স্টাফবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

একই সাথে ওই এলাকায় বনবিভাগের পক্ষ থেকে রোপনকৃত বাগানটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ, পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া,চরম্বা টংকাবতী বিট কর্মকর্তা ইমন বিল্লাহ।

ইউএনও মোঃ বায়োজীদ-বিন-আখন্দ বলেন, ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অধিক সংখ্যক গাছ লাগানো এবং সেগুলোর পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত: কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।