লামায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
মোহাম্মদ আবুল হাশেম লামা প্রতিনিধি
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাস্তবায়িত ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় বান্দরবানের লামায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) লামা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহেল রানা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্টনার প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ সাহারিয়াজ বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমির হোসেন আমু, লামা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রব, লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান কামাল, সহকারী তথ্য কর্মকর্তা রাশেদুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লামা উপজেলা আমির কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম, এঞ্জেট একতা মহিলা সমিতির পরিচালক আনোয়ারা বেগম, লামা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, রূপসী পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম এবং লামা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোপন কান্তি চৌধুরী।
এ ছাড়া স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, কৃষক-কৃষাণী, কৃষি উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তির প্রসার, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পার্টনার প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রকল্পটির কার্যক্রম কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
কংগ্রেসে বিভিন্ন ফিল্ড স্কুলের কৃষক প্রতিনিধিরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের আওতায় অর্জিত সাফল্যের চিত্র উপস্থাপন করেন। তারা জানান, কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, ফসলের বহুমুখীকরণ, পুষ্টিবাগান স্থাপন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার ফলে তাদের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে কৃষি উন্নয়ন, পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, পার্টনার প্রকল্পের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।










