বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রু কে মনোয়ন প্রদানের জন্য জেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দাবী
বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও দীর্ঘদিনের পরিক্ষিত নেতা রাজ পরিবারের অন্যতম সদস্য সাশৈপ্রু কে মনোয়ন প্রদানের জন্য বান্দরবান জেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আবেদন করেছেন। বান্দরবান জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক মোঃ ওসমান গনি, যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রশিদ, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর মাবুদ, যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান মিটন, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম আহবায়ক আমির হোসেন আমু, যুগ্ম আহবায়ক নেজাম উদ্দিন চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির সকল সদস্য, জাতীয়তাবাদী যুবদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, ছাত্রদল, তাঁতী দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবিদল, ওলামা দল সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রানালয়ে মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের উল্লেখ্য করেন, বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাশৈপ্রু বান্দরবান বিএনপির প্রতিষ্ঠকালীন সদস্য, তিনি জাগদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে বান্দরবানে যে কয়েকজন ব্যক্তির রাজনীতির হাতগড়ি হয়েছিল তার মধ্যে তিনি অন্যতম। লিখিত আবেদনে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান সুয়ালক ম্রো কমপ্লেক্স এলাকায় রাত্রী যাপনকালীন বোমাং রাজা প্রতিমন্ত্রী উ অংশৈ প্রু চৌধুরীর ভাগিনা হিসাবে আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯৩ সালে টাউন হলে বিএনপি বান্দরবান জেলা কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কমিটির প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১/১১ এর পূর্বেও তাকে বিএনপি সকল প্রকার কর্মসূচীতে সক্রীয় ও তিনি বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী স্বৈরচার ও ফ্যাস্টিট সরকার আমলে নির্যাতন ও হয়রানী শিকার হয়েছেন। অবরোধ ও হরতালের মত কঠোর আন্দোলনে সক্রীয় ভূমিকা পালন করেছেন। পুলিশের তৎপরতার কারণে অগনিত দিন ঘর ছাড়া ছিলেন। নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে বিএনপির সকল প্রকার কর্মসূচী বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি একজন কর্মীবান্ধব সকলের প্রিয়ভাজন নেতা। তিনি একজন বোমাং সার্কেলের রাজপ্রথার ৩৬৩নং আলেক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান)। নেতৃৃবন্দের মধ্যে আরো স্বাক্ষর করেন, জেলা বিএনপি সদস্য নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস শুক্কুর, জেলা বিএনপির সদস্য সাবিকুর রহমান জুয়েল, জেলা বিএনপির সদস্য থোয়াইনু অং চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মুছা, জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম কোম্পানী, জেলা বিএনপির সদস্য মংক্যনু চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য শ্যামল কান্তি বড়ুয়া, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য আবু তাহের মিয়া, জেলা বিএনপির সদস্য আবু বক্কর, জেলা বিএনপির সদস্য আবুল হাশেম, জেলা বিএনপির সদস্য মংশৈম্রায়, জেলা বিএনপির সদস্য শৈসাঅং, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য নু মংপ্রু মার্মা, জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জহির উদ্দিন (মাসুম), সাধারন সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল শুক্কুর, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিরুতাজ বেগম, সিনিয়র সহ-সভাপতি উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু বক্কর, প্রচার সম্পাদক মোঃ রিদুয়ানুল হক, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবুল হাসেম, সাধারন সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইয়াছিনুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন ভূঁইয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আলী হায়দার বাবুল, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অমিত ভূষন তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলিম, জেলা জাসাস সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক থুইমংপ্রু, যুগ্ম আহবায়ক রুবেল মহাজন, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শ্যামল তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা জিয়ামঞ্চ এ আহবায়ক মোঃ হেলার উদ্দিন স্বাধীন, সদস্য সহিব মহিউদ্দিন, বান্দরবান সদর উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ আয়ুব আলী, সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিিরশ চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সুবীর তঞ্চঙ্গ্যা, সাবেক সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন (মেম্বার) সাবেক সদস্য মানন্ত তঞ্চঙ্গ্যা (শান্ত), সদর মংক্যপু মার্মা, সদস্য ওয়াপ্রæমং মার্মা, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আলম কোং, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল আহমদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক কামার উদ্দিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন বাহাদুর, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শ্রমিকদলের আহবায়ক ইয়াহিয়া খান মামুন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য আমিরুল কবির , সাবেক ছাত্রনেতা উছাইমং মার্মা, সাবেক থানচি উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যা খামলাই ম্রো, সাবেক জেলা বিএনপির সদস্য মং সই ম্রায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শৈসাঅং, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মানন্ত তঞ্চঙ্গ্যা, থানচি উপজেলা বিএনপি সাবেক সহ-সভাপি ক্যসাউ মার্মা, সাবেক রুমা উপজেলার বিএনপি সহসভাপতি থুইমঅং প্রমুখ।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাশৈপ্রু বলেন আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতের স্পর্শ পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী। ১৯৮০ সালে বান্দরবানের সুয়ালকে সফর কালে তিনি তার পবিত্র হাত আমার কার্ধে রেখে বলেিেছলেন “ইয়ংম্যান এগিয়ে যাও, পার্বত্য এলাকায় উন্নয়নে দুধের নহর বাসিয়ে দাও
”। তার এ কথার পর থেকে একজন সক্রীয় জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী হিসেবে অদ্যাবধি কাজ করে যাচ্ছি। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুর রশিদ বলেন, সাশৈপ্রু একজন দলের নিবেদিত নেতা, তিনি গত ১৭ বছর ফ্যাস্টিস সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিটি কর্মসূচীতের সক্রীয় অংশ গ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকা এবং চট্টগ্রামে প্রতিটি মহাসমাবেশে বান্দরবানের পক্ষে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আবেদনে নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন, তিনি ১৩ তম বোমাং রাজা উক্যজসাই এবং ১৪ তম বোমাংরাজা উ অংশৈ প্রু চৌধুরীর ভাগিনা এবং ১৬ তম রাজা উ ক্যসাই প্রু এর ভাগিনা এবং ১৭ তম বর্তমান বোমাং রাজা উ উচপ্রু এর চাচাত ভাই। অর্থাৎ বর্তমানে বোমাং রাজ পরিবারের জৈষ্ঠতম ব্যক্তিদের ভেতর একজন। তিনি জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার গ্রহণ যোগ্য ব্যক্তিত্ব। বান্দরবান পার্বত্য জেলার সকল ধরনের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের অগ্রণী ভূমিকা পালনে যথাযথ এক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করে থাকি।










