সাতকানিয়ায় জামায়াতের দুই নেতার ওপর মুখোশধারীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতার ওপর মুখোশধারীদের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সাতকানিয়া আদালত চত্বর থেকে মিছিলটি বের হয়ে সাতকানিয়া থানার সামনে এসে শেষ হয়।
এতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সাতকানিয়া থানার সামনে হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানায় বক্তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি তারেক হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আবু নাসের।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাতকানিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর হামিদ উদ্দিন, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য আইয়ুব আলী, কামরুল ইসলাম, এওচিয়া ইউনিয়ন আমীর আবু বক্কর প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, এওচিয়ায় জামায়াতের দায়িত্বশীল মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া ও মুহাম্মদ জাকারিয়া ওপর মুখোশধারীদের হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে কারও ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একটি গণতান্ত্রিক সমাজে প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।
তাঁরা আরও বলেন, মুখোশের আড়ালে হামলা চালিয়ে অপরাধীরা যেন পার পেয়ে না যায়, সে জন্য ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করতে হবে।
একই সঙ্গে তাঁদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বক্তারা হামলার শিকার নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।
তাঁরা বলেন, ভয়ভীতি বা হামলার মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দমিয়ে রাখা যায় না; বরং আইনের শাসন, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে এওচিয়ায় জামায়াতের দুই নেতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।











