শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

থানচির রাজা পাথরে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
থানচির রাজা পাথরে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

আবুবকর ছিদ্দিক,স্টাফ রিপোর্টার

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নের ‘রাজা পাথর’ (বংডহ) এলাকায় সাঙ্গু নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ানের (২৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় নিখোঁজের ২ দিন পর রোববার (২৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার সময় অভিযান চালিয়ে সাঙ্গু নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাসকান্দা গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, শুক্রবার দুপুরে আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা দিয়ে ১৩ পর্যটক তিন্দু বাজারে পৌঁছান। পরে স্থানীয় গাইড গর্জেন ত্রিপুরা তাদের গ্রহণ করেন। বিকেলে তারা তিন্দু ঘাট থেকে দুটি নৌকায় রেমাক্রির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। একটি নৌকায় ছয়জন এবং অন্যটিতে সাতজন পর্যটক ছিলেন। রেমাক্রির পথে তিন্দু বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় পৌঁছালে সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে সাতজন আরোহী থাকা একটি নৌকা ডুবে যায়। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান নিখোঁজ হন।
দুর্ঘটনার পর গত দুইদিন ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তাকে খুঁজে পাননি। রোববার সকালে তিন্দুমুখ ও বড় পাথরের মাঝামাঝি এলাকায় তার মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেন।
তিন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভাগ্যচন্দ্র ত্রিপুরা বলেন, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বড় পাথর ও তিন্দুমুখের মাঝামাঝি স্থানে  নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেয়।

থানচি থানার ওসি কানন সরকার বলেন,২ দিন আগে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ থানায় নিয়ে আসার পর আইনানুগ কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। তারা ফিরে এলে উদ্ধার অভিযান ও ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এক পরিবারের চারজন, নিহতদের সবার বাড়ি চকরিয়ায়

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

সৌদি আরবে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ সাত বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে মাত্র এক মাস বয়সী এক কন্যাশিশুও।

নিহত সাতজনের সবার বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে মদিনা থেকে জেদ্দাগামী মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তারা দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তিরা সবাই সৌদি আরবের আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য। কোম্পানিটির রিয়াদ ও জেদ্দায় কার্যালয় রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। অর্থাৎ একই পরিবারের চারজনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

এ ছাড়া কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী এবং মক্কায় কর্মরত প্রতিষ্ঠানটির স্টোরকিপার আলমশাহ ও তাঁর মাত্র এক মাস বয়সী কন্যাশিশুও নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশিরা একটি গাড়িতে করে মদিনা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।

পথে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সৌদি আরবের স্থানীয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সেগুলো মদিনার একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয় বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিশেষ করে একই পরিবারের চার সদস্য এবং এক মাস বয়সী শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিহতদের পরিচয় ও দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের মাধ্যমে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কনস্যুলেট।
তবে নিহতদের বিস্তারিত ঠিকানা, দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ এবং মরদেহ দেশে পাঠানোর সময় সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বান্দরবানে আলোচনা সভা

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ পিএম
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বান্দরবানে আলোচনা সভা

আবুবকর ছিদ্দিক

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবানে আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ৩০০ নম্বর আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। সভাপতিত্ব করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওয়াহাবুল ইসলাম খন্দকার, বাংলাদেশ বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক রফিকুল ইসলাম, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের জিটুআই মেজর পারভেজ রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এবং বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নাছিরুল আলম।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এ দিবসের চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, “ ৭ নভেম্বর দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। তরুণ প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পর্কে জানতে হবে এবং দেশ গঠনে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একইভাবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজনীন সুলতানা বলেন, “দেশের ইতিহাস ও জাতীয় দিবসগুলোর তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আমাদের এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে হবে।”

পরে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বান্দরবানের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে উপলক্ষে চিম্বুক সড়কে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে নামলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে উপলক্ষে চিম্বুক সড়কে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে নামলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

আবুবকর ছিদ্দিক

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এবং প্রতি শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বান্দরবানের চিম্বুক রেঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপির তত্ত্বাবধানে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে বান্দরবান-থানচি সড়কের চিম্বুক রেঞ্জের প্রায় ২৭ কিলোমিটার এলাকায় বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সকালে চিম্বুক সড়কের বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। সড়কের পাশে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, জমে থাকা জঙ্গল ও আগাছা পরিষ্কার এবং বিভিন্ন স্থানে ড্রেন ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করার কাজ করেন তাঁরা। এ সময় সড়কের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন করা হয়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি। এ সময় জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান চলাকালে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রতি শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের দিন বান্দরবানের গুরুত্বপূর্ণ চিম্বুক সড়কের ২৭ কিলোমিটার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুধু রাস্তা পরিষ্কার করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে নিজের এলাকা, সড়ক ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। সড়কের পাশে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলা এবং নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

স্থানীয়দের মতে, বান্দরবান-থানচি সড়কের চিম্বুক অংশটি জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পর্যটনসমৃদ্ধ সড়ক। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকলে পরিবেশের পাশাপাশি পর্যটন এলাকার সৌন্দর্যও নষ্ট হয়। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হলে চিম্বুক সড়কের পরিবেশ আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আয়োজিত এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা।
অভিযানে জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাঁরা চিম্বুক রেঞ্জের সড়কের বিভিন্ন অংশে দলবদ্ধভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।