২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বান্দরবানে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত
মঈন উদ্দীন, বান্দরবান প্রতিনিধি:
আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিকদের নিয়ে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) সকালে বান্দরবান জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে এবং জাতীয় পুষ্টিসেবা ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বান্দরবান সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী, তিনি বলেন, জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।
তিনি জানান, ভিটামিন এ শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, জেলার সকল যোগ্য শিশুকে ক্যাম্পেইনের আওতায় আনতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা এ কার্যক্রমকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, সারাদেশে ক্যাম্পেইন থেকে বাদপড়া ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খুঁজে বের করে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘বাদপড়া শিশু অনুসন্ধান কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতকৃত ওয়ার্ড ম্যাপ অনুযায়ী প্রতিটি সাব ব্লকে প্রতিদিন দুটি বিশেষ দল সকাল ৮টা থেকে কাজ শুরু করবে। প্রতিটি দলে দুইজন করে মাঠকর্মী থাকবেন। তারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২০ জন বাদপড়া শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন। চার দিনের মধ্যে পুরো ওয়ার্ডের অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের সচেতন করা গেলে কোনো শিশু এ কার্যক্রম থেকে বাদ পড়বে না এবং ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।







