বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বাইশারীতে মসজিদের শৌচাগার থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার আত্মহত্যা নাকি অন্যকিছু—তদন্ত শেষে জানা যাবে: পুলিশ

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বাইশারীতে মসজিদের শৌচাগার থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার আত্মহত্যা নাকি অন্যকিছু—তদন্ত শেষে জানা যাবে: পুলিশ

জাহাঙ্গীর আলম কাজল, নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী বাজারে মো. আবুল কালাম (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা—তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাইশারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের শৌচাগারের ওপরের কাঠামো থেকে আবুল কালামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবুল কালাম উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাইশারী এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক এবং বাইশারী বাজারের একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে সোমবার ভোরের কোনো এক সময় ঘটনাটি ঘটে। ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয়রা মসজিদের শৌচাগারের ওপরের কাঠামোতে আবুল কালামের মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, নিহতের ছেলে সাইমুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক কলহের পাশাপাশি আবুল কালাম প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত ছিলেন। এসব কারণে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এগুলো প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।
বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মো. মনজুর আহসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসআই শওকত জামিল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহ ও আর্থিক ঋণের বিষয়টি জানা গেছে। তবে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ২ দোকান, ২ বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গরুর খামার

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৫১ পিএম
নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ২ দোকান, ২ বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গরুর খামার

জাহাঙ্গীর আলম কাজল,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মালামালসহ দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি বসতবাড়িও। তবে স্থানীয় লোকজনের প্রচেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে পাশের একটি গরুর খামার।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোররাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির কর্মচারী। বৃহস্পতিবার ভোররাতে হঠাৎ আগুনের শব্দে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে বেরিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে প্রথমে পাশের দোকানদার গোলাম কিবরিয়াকে ফোন করেন। প্রাথমিকভাবে গোলাম কিবরিয়ার দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আগুন পাশের হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকলে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে এরই মধ্যে আগুনে গোলাম কিবরিয়ার দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদুল আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডে গোলাম কিবরিয়ার মুদি দোকান ও হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে ওই ভবনের দুই ভাড়াটিয়া সাহাবুদ্দিন ও চুই চা মং মার্মার বসতঘরও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলসংলগ্ন স্থানীয় খামারি মোহাম্মদ ইসলামের বড় একটি গরুর খামারও আগুনের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তবে স্থানীয় লোকজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খামারটি রক্ষা পায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার গোলাম কিবরিয়া জানান, কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাঁর দোকানের তালা খুলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এতে তাঁর আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অপর দোকানদার হামিদ খলিফা জানান, তাঁর দোকানে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের সদস্যরাও তাঁদের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এমপি জসীম উদ্দিনের বিশেষ সহকারী হলেন আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৪০ পিএম
এমপি জসীম উদ্দিনের বিশেষ সহকারী হলেন আবদুস সবুর

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আহমেদের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আবদুস সবুর।

তাঁর নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংসদ সদস্যের কার্যালয় থেকে জারি করা নিয়োগপত্রের মাধ্যমে তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, আবদুস সবুর চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তদারকিসহ অর্পিত অন্যান্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় আবদুস সবুরকে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা এই নেতার নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আবদুস সবুর বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে অনেক নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েও রাজপথ ছাড়িনি।

সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আহমেদ আমার ওপর যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখে এই দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাঁর আস্থার প্রতিদান দিতে চাই। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষের উন্নয়ন এবং সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।’

তাঁর নিয়োগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তাঁদের মতে, আবদুস সবুর দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।

সংসদ সদস্যের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরার সুযোগ আরও সহজ হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

এদিকে, নিয়োগের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবদুস সবুরকে অভিনন্দন জানিয়ে একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। অনেকে তাঁর ছবি ও নিয়োগপত্র প্রকাশ করে নতুন দায়িত্বের সফলতা কামনা করছেন।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিভিন্ন পোস্টে তাঁকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী উল্লেখ করে এ নিয়োগকে রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে আবদুস সবুরের নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে ঘিরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এখন নতুন দায়িত্বে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কতটা ভূমিকা রাখতে পারেন, সেটিই দেখার বিষয়।

এইচএসসিতে ৫ বিষয়ে ফেল করা ছাত্রশক্তি নেতা এবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরে ব্যস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
এইচএসসিতে ৫ বিষয়ে ফেল করা ছাত্রশক্তি নেতা এবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরে ব্যস্ত

Oplus_131072

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের কাছে বিভিন্ন যানবাহন ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তদবির করার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. সাঈদ হোসেন মানিকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশ কোনো যানবাহন আটক করলে তিনি পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে তা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ধরনের তদবিরের কারণে ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে কেরানীহাট পুলিশ বক্স থেকে সাঈদ হোসেন মানিককে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। সূত্রের দাবি, তিনি একটি মোটরসাইকেল ছাড়িয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিলেন। যদিও এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এটি প্রথম ঘটনা নয়। তাদের দাবি, সড়কে অভিযান চালিয়ে কোনো মোটরসাইকেল বা অন্য যানবাহন আটক করা হলে বিভিন্ন সময় ছাত্রশক্তি নেতা মো. সাঈদ হোসেন মানিক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ছাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তদবির করেন। এমনকি দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে আইন প্রয়োগে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হলে তা সুশাসন ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন সাঈদ হোসেন মানিক। এরপর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। এর মধ্যেই ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরের অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পুলিশ বক্সের সামনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সাঈদ হোসেন মানিক চুপ থাকেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন যুবক এ প্রতিবেদককে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেরানীহাট পুলিশ বক্সের ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) মো. মাহবুব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।