শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

লোহাগাড়ায় ক্যান্সার ও হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
লোহাগাড়ায় ক্যান্সার ও হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দুঃশাসন, দুর্নীতি ও লুটপাটের ক্ষত কাটিয়ে একটি সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, অতীতে জনগণের সম্পদ লুটপাট করে যারা নিজেদের ভাগ্য গড়েছে, তারা আজ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন ও পলাতক। আর বিএনপি সরকার জনগণের কষ্ট লাঘব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নাগরিকের ন্যূনতম মর্যাদা নিশ্চিত করার রাজনীতি করছে।

৫ই সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকেলে লোহাগাড়ার হোটেল গ্র্যান্ড মাশাবী রেস্টুরেন্ট হলরুমে উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লোহাগাড়ায় ক্যান্সার ও হৃদরোগে আক্রান্ত চার অসহায় রোগীকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া তিনজন হলেন লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জমিদার পাড়ার ক্যান্সারে আক্রান্ত মিনা আক্তার, আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ পাড়ার আবুল হাশেম এবং একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দৌলত পাড়ার হৃদরোগে আক্রান্ত ইশরাত জাহান মাওয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন হেলাল আরো বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণমুখী রাজনীতির ধারাবাহিকতায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের অঙ্গীকার করেছেন। এমন বাংলাদেশ গড়তে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে সামাজিক নিরাপত্তা ও সরকারি সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার মানুষের কল্যাণকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। মানুষের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড অন্যতম। এর মাধ্যমে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সহায়তাকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসহাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য ফৌজুল কবির ফজলুর সঞ্চালনায় এতে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস‍্য এসএম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান,সালাহ উদ্দিন চৌধুরী সোহেল, হাজি রফিকুল আলম,উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটিএম জাহেদ চৌধুরী,সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু,এম এ রহিম,এম এ কাশেম, জেলা মৎস‍্যজীবী দলের আহবায়ক জসিম উদ্দিন,জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম জকরিয়া,জেলা যুবদলের সহ-অর্থ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন,উপজেলা যুবদলের সদস‍্য সচিব রাশেদুল হক,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন,বিএনপি নেতা নুরুল হক সওদাগর,নুরুল আলম জিকু,নুরুল কবির,ইমামুল আবেদীন রিপন,রফিক আহমদ,শহিদুল আলম,মোবারক হোসেন বাবু,দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী,মোক্তার আহমদ,খোরশেদ আলম,এস এম সাহাব উদ্দিন,আলাউদ্দিন বাচ্চু,নাছির উদ্দিন,ফেরদৌস,নাজিম উদ্দিন,নজরুল ইসলাম,নুরুল কোম্পানী,এস এম রেজাউল বাছির চৌধুরী,জেলা যুবদল নেতা নাজিম উদ্দিন,উপজেলা যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম,মুসলিম উদ্দিন,নজরুল ইসলাম,বাহাদুর চৌধুরী,শওকত,শিহাব উদ্দিন,আবু হেনা,হেলাল উদ্দিন,কাইছার আহমেদ মুন্না,দিদারুল ইসলাম,রাকিব আদনান বাচ্ছু,বাবর,গিয়াস উদ্দিন,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এহসান আব্দুল্লাহ,সাইফুল ইসলাম,কফিল উদ্দিন,ইকবাল হোসেন,জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল বিন মনির,সদস‍্য সিয়ামুল ইসলাম সায়েম,মোফাচ্ছল হোসেন জুয়েল,শফিউল আলম চৌধুরী,ছাত্রদল নেতা আরমান উদ্দিন,খোরশেদ আলম প্রমুখ।

এছাড়াও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ২ দোকান, ২ বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গরুর খামার

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৫১ পিএম
নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ২ দোকান, ২ বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গরুর খামার

জাহাঙ্গীর আলম কাজল,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মালামালসহ দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি বসতবাড়িও। তবে স্থানীয় লোকজনের প্রচেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে পাশের একটি গরুর খামার।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোররাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির কর্মচারী। বৃহস্পতিবার ভোররাতে হঠাৎ আগুনের শব্দে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে বেরিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে প্রথমে পাশের দোকানদার গোলাম কিবরিয়াকে ফোন করেন। প্রাথমিকভাবে গোলাম কিবরিয়ার দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আগুন পাশের হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকলে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে এরই মধ্যে আগুনে গোলাম কিবরিয়ার দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদুল আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডে গোলাম কিবরিয়ার মুদি দোকান ও হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে ওই ভবনের দুই ভাড়াটিয়া সাহাবুদ্দিন ও চুই চা মং মার্মার বসতঘরও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলসংলগ্ন স্থানীয় খামারি মোহাম্মদ ইসলামের বড় একটি গরুর খামারও আগুনের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তবে স্থানীয় লোকজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খামারটি রক্ষা পায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার গোলাম কিবরিয়া জানান, কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাঁর দোকানের তালা খুলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এতে তাঁর আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অপর দোকানদার হামিদ খলিফা জানান, তাঁর দোকানে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের সদস্যরাও তাঁদের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এমপি জসীম উদ্দিনের বিশেষ সহকারী হলেন আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৪০ পিএম
এমপি জসীম উদ্দিনের বিশেষ সহকারী হলেন আবদুস সবুর

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আহমেদের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আবদুস সবুর।

তাঁর নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংসদ সদস্যের কার্যালয় থেকে জারি করা নিয়োগপত্রের মাধ্যমে তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, আবদুস সবুর চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তদারকিসহ অর্পিত অন্যান্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় আবদুস সবুরকে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা এই নেতার নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আবদুস সবুর বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে অনেক নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েও রাজপথ ছাড়িনি।

সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আহমেদ আমার ওপর যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখে এই দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাঁর আস্থার প্রতিদান দিতে চাই। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষের উন্নয়ন এবং সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।’

তাঁর নিয়োগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তাঁদের মতে, আবদুস সবুর দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।

সংসদ সদস্যের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরার সুযোগ আরও সহজ হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

এদিকে, নিয়োগের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবদুস সবুরকে অভিনন্দন জানিয়ে একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। অনেকে তাঁর ছবি ও নিয়োগপত্র প্রকাশ করে নতুন দায়িত্বের সফলতা কামনা করছেন।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিভিন্ন পোস্টে তাঁকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী উল্লেখ করে এ নিয়োগকে রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে আবদুস সবুরের নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে ঘিরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এখন নতুন দায়িত্বে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কতটা ভূমিকা রাখতে পারেন, সেটিই দেখার বিষয়।

এইচএসসিতে ৫ বিষয়ে ফেল করা ছাত্রশক্তি নেতা এবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরে ব্যস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
এইচএসসিতে ৫ বিষয়ে ফেল করা ছাত্রশক্তি নেতা এবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরে ব্যস্ত

Oplus_131072

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের কাছে বিভিন্ন যানবাহন ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তদবির করার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. সাঈদ হোসেন মানিকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশ কোনো যানবাহন আটক করলে তিনি পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে তা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ধরনের তদবিরের কারণে ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে কেরানীহাট পুলিশ বক্স থেকে সাঈদ হোসেন মানিককে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। সূত্রের দাবি, তিনি একটি মোটরসাইকেল ছাড়িয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিলেন। যদিও এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এটি প্রথম ঘটনা নয়। তাদের দাবি, সড়কে অভিযান চালিয়ে কোনো মোটরসাইকেল বা অন্য যানবাহন আটক করা হলে বিভিন্ন সময় ছাত্রশক্তি নেতা মো. সাঈদ হোসেন মানিক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ছাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তদবির করেন। এমনকি দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে আইন প্রয়োগে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হলে তা সুশাসন ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন সাঈদ হোসেন মানিক। এরপর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। এর মধ্যেই ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরের অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পুলিশ বক্সের সামনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সাঈদ হোসেন মানিক চুপ থাকেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন যুবক এ প্রতিবেদককে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেরানীহাট পুলিশ বক্সের ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) মো. মাহবুব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।