গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ২
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সদর থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার রঘুনাথ ইউনিয়নের পুরাতন খেয়াঘাট এলাকার সেতুসংলগ্ন বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন সদর থানার এসআই ফুলমিয়া ও কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান।
তাঁরা গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই এলাকায় পুলিশের একটি দল টহল দেওয়ার সময় বাজারে অবস্থান করছিল। এ সময় একদল যুবক মিছিল নিয়ে সেখানে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান। পরে পুলিশ সদস্যদের ওপরও হামলা করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল যুবক ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ স্লোগান দিয়ে মিছিল করছেন।
তাঁদের কয়েকজনের হাতে হকিস্টিক ও কাঠের লাঠি ছিল। মিছিলকারীদের একপর্যায়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা যায়।
গাড়িটি সামনে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁরা সেটির পিছু নিয়ে হামলা চালান। পরে কয়েকজন যুবক পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে পুলিশ সদস্যদের দৌড়ে গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখা যায়।
পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, সদর থানা-পুলিশের চার সদস্যের একটি দল ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল। তাঁরা খেয়াঘাট এলাকায় গাড়ি থামিয়ে বাজারে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন।
এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ সদস্যদেরও মারধর করেন তাঁরা।
সদর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হামলায় আহত দুই পুলিশ সদস্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ জানান, এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।











