রুমায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা বিতরণ, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত দুই শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান
উবাসিং মার্মা, রুমা প্রতিনিধি:
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় রুমা বাজার আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত দুই কৃতি শিক্ষার্থীকে বিশেষ সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উক্যসিং মার্মা সঞ্চালনায় এবং এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মংমং মার্মা, এবং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিজা আক্তার বিথী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বলরাম কুমার বণিক, রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিন আক্তার, এবং বিদ্যালয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পণলাল চক্রবর্তী।
এ ছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করায় তুতুল কর্মকার ও পিও বড়ুয়া নামের দুই কৃতি শিক্ষার্থীকে বিশেষ সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়।
রুমা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল রাজ্জাক,তিনি জানান অভিভাবকদের বাসায় শিক্ষার্থীদেরকে চাপ না দিয়ে যত্ন সহকারে পড়াবেন এবং সৃজনশীল নিয়মে পড়ানো দরকার। যাতে বাচ্চারা ভালো ভাবে শিখতে পারে আর বুঝতে পারে, আর বাচ্চাদের কে বাসায় সময় দিতে হবে বলে জানান
রুমা উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী তিনি জানান রুমা উপজেলায় শিক্ষার্থীদের এমন উন্নয়ন দেখে আমি মুগ্ধ। তবে আরো উন্নয়ন করতে হবে এবং অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার চাপ না দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে যত্ন সহকারে বাসায় পড়ানো উচিত। সামনে বারে যেন ট্যালেন্টপুল আরো অনেক শিক্ষার্থী পায়।
শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে উৎসাহ জোগানো এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শিক্ষার ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।








