বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

“শাসক নয়, জনগণ যদি চাই, পুণরায় আধুনগরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চান মোঃ নাজিম উদ্দিন

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
“শাসক নয়, জনগণ যদি চাই, পুণরায় আধুনগরবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চান মোঃ নাজিম উদ্দিন

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ

উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়নবাসি। ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের জন্য নাজিম চেয়ারম্যানকে প্রাধান্য দিতে চান এলাকার মানুষ। তাই আধুনগরবাসী আগামীতে চাইলে তিনি পুণরায় এলাকার মানুষের সেবক হয়ে কাজ করতে চান।

জানা গেছে, বিগত বছর গুলোতে ওই ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ,নাজিম উদ্দিন। তিনি যেকোন সময় ইউনিয়নের গরীব-দু:খী মানুষের পাশে রয়েছেন। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সরকারি বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা তিনি ইউনিয়নবাসিকে পাইয়ে দিতে কাজ করেছেন। তার সেবার প্রতি এলাকার মানুষও সন্তোষ্ঠ বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তা পাকাকরণ, নতুন রাস্তা নির্মাণ, টিউবওয়েল স্থাপন, কালভার্ট নির্মানসহ ব্যাপক উন্নয়নে কাজ করার জন্য,প্রচেষ্ঠা চালিয়েছেন । তাই ইউনিয়নে তার সেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি পুণরায় সেবক হয়ে থাকতে চান আধুনগরবাসীর পাশে।

বিশেষ করে তার চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন দুর্যোগে বন্যা হওয়ার শুরুতেই তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার পক্ষ থেকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করেছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে থেকেই প্রশংসীতও হয়েছেন। ভালো কাজগুলোকে এলাকার মানুষ মূল্যায়ন করে এটা তার কাছে বড় প্রাপ্তি ।

চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নাজিম উদ্দিন তার পরিষদে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে ন্যায় বিচার উপহার দিতে কাজ করেছেন।

ওই ইউনিয়নের আবদুল মালেক, সমশুল ইসলাম, কাইছার ও লায়লা বেগমসহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা প্রতিবেদককে বলেন, ‘বর্তমান এই চেয়ারম্যান আমাদের রাস্তাঘাট, কালভার্ট, জন্ম নিবন্ধন, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, বিধবা ভাতাসহ সবধরনের কাজে সাধারণ মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। তিনি আমাদের সুখে-দুখে ইউনিয়ন বাসীর পাশে ছিলেন এবং আছেন। এইজন্য আমরা তাকেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চাই।’ ইউনিয়নবাসী বর্তমান চেয়ারম্যানের উপরই আস্থা রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

এ ইউনিয়নের মানুষ কৃষক, ব্যবসায়ী,প্রবাসী ও সরকারি চাকরিজীবি ও দিনমজুরও রয়েছে। যারা এই এলাকায় কৃষি কাজের উপর নির্ভর করে এবং মাঠে পরিশ্রম করে ফসল ফলায়।এসব মানুষগুলোর আস্থা অর্জন করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন। বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ,নাজিম উদ্দিন দীর্ঘ ৫ বছর ধরে সফল চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের মন জয় করে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি ২০২০ সালে অক্টোবর মাসে তিনি আধুনগরবাসীর গণরায়ে বিপুল ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের বাবা মরহুম বাদশা মিয়া প্রকাশ ফুটবল বাদশা হিসেবে খুব জনপ্রিয় ছিলেন। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি না হলেও এলাকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করে গেছেন।

 

উন্নয়নের বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নাজিম উদ্দিন বলেন, ২০২০ সালে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছেন ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কাজ ও মানুষের পাশে থাকার জন্য। আমি বিপুল ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিলাম।
আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেখার মালিক আল্লাহ। যে কয়েক দিন বেঁচে আছি ততদিন যেনো জনগনের পাশে থেকে ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কাজ করতে পারি। এটিই আমার আশা। ভোট জনগণের হাতে, তারা যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে, তবে আমি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে উপকারের চেষ্টা করছি। তবে জনগণ আমার কথায় যাতে কষ্ট না পায় তার জন্য সর্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন,আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সরকারি বরাদ্ধ এনে প্রায় সবগুলো রাস্তাই বর্তমানে পাকা করা হয়েছে। আগামী ইউপি নির্বাচনে জনগণের ভোটে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে আমার ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং সহ নানা অপরাধমুলক কর্মকান্ডকে রোধ করবো। এর পাশাপাশি শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও কৃষির উন্নয়ন ঘটিয়ে আমার ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো।

চেয়ারম্যান মো. নাজিম উদ্দিন প্রানপ্রিয় আধুনগরবাসীর কাছে দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ২ দোকান, ২ বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গরুর খামার

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক ✔️ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৫১ পিএম
নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই ২ দোকান, ২ বসতবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গরুর খামার

জাহাঙ্গীর আলম কাজল,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মালামালসহ দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি বসতবাড়িও। তবে স্থানীয় লোকজনের প্রচেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে পাশের একটি গরুর খামার।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোররাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির কর্মচারী। বৃহস্পতিবার ভোররাতে হঠাৎ আগুনের শব্দে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে বেরিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে প্রথমে পাশের দোকানদার গোলাম কিবরিয়াকে ফোন করেন। প্রাথমিকভাবে গোলাম কিবরিয়ার দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে আগুন পাশের হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকলে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে এরই মধ্যে আগুনে গোলাম কিবরিয়ার দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদুল আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডে গোলাম কিবরিয়ার মুদি দোকান ও হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে ওই ভবনের দুই ভাড়াটিয়া সাহাবুদ্দিন ও চুই চা মং মার্মার বসতঘরও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলসংলগ্ন স্থানীয় খামারি মোহাম্মদ ইসলামের বড় একটি গরুর খামারও আগুনের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তবে স্থানীয় লোকজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খামারটি রক্ষা পায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার গোলাম কিবরিয়া জানান, কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাঁর দোকানের তালা খুলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এতে তাঁর আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
অপর দোকানদার হামিদ খলিফা জানান, তাঁর দোকানে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের সদস্যরাও তাঁদের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এমপি জসীম উদ্দিনের বিশেষ সহকারী হলেন আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৪০ পিএম
এমপি জসীম উদ্দিনের বিশেষ সহকারী হলেন আবদুস সবুর

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আহমেদের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আবদুস সবুর।

তাঁর নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংসদ সদস্যের কার্যালয় থেকে জারি করা নিয়োগপত্রের মাধ্যমে তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, আবদুস সবুর চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তদারকিসহ অর্পিত অন্যান্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় আবদুস সবুরকে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা এই নেতার নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আবদুস সবুর বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে অনেক নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েও রাজপথ ছাড়িনি।

সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন আহমেদ আমার ওপর যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখে এই দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাঁর আস্থার প্রতিদান দিতে চাই। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষের উন্নয়ন এবং সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।’

তাঁর নিয়োগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তাঁদের মতে, আবদুস সবুর দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।

সংসদ সদস্যের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরার সুযোগ আরও সহজ হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

এদিকে, নিয়োগের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবদুস সবুরকে অভিনন্দন জানিয়ে একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। অনেকে তাঁর ছবি ও নিয়োগপত্র প্রকাশ করে নতুন দায়িত্বের সফলতা কামনা করছেন।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিভিন্ন পোস্টে তাঁকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী উল্লেখ করে এ নিয়োগকে রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে আবদুস সবুরের নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে ঘিরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এখন নতুন দায়িত্বে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কতটা ভূমিকা রাখতে পারেন, সেটিই দেখার বিষয়।

এইচএসসিতে ৫ বিষয়ে ফেল করা ছাত্রশক্তি নেতা এবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরে ব্যস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
এইচএসসিতে ৫ বিষয়ে ফেল করা ছাত্রশক্তি নেতা এবার ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরে ব্যস্ত

Oplus_131072

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের কাছে বিভিন্ন যানবাহন ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তদবির করার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. সাঈদ হোসেন মানিকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশ কোনো যানবাহন আটক করলে তিনি পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে তা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ধরনের তদবিরের কারণে ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে কেরানীহাট পুলিশ বক্স থেকে সাঈদ হোসেন মানিককে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। সূত্রের দাবি, তিনি একটি মোটরসাইকেল ছাড়িয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিলেন। যদিও এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এটি প্রথম ঘটনা নয়। তাদের দাবি, সড়কে অভিযান চালিয়ে কোনো মোটরসাইকেল বা অন্য যানবাহন আটক করা হলে বিভিন্ন সময় ছাত্রশক্তি নেতা মো. সাঈদ হোসেন মানিক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ছাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তদবির করেন। এমনকি দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে আইন প্রয়োগে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হলে তা সুশাসন ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন সাঈদ হোসেন মানিক। এরপর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। এর মধ্যেই ট্রাফিক পুলিশের কাছে তদবিরের অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পুলিশ বক্সের সামনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সাঈদ হোসেন মানিক চুপ থাকেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন যুবক এ প্রতিবেদককে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেরানীহাট পুলিশ বক্সের ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) মো. মাহবুব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।