মায়ের জন্য দোয়া ও ক্ষমা চাইলেন তারেক রহমান
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজার আগমুহূর্তে পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তিনি বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকাকালে যদি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকেন কিংবা তার কোনো কথা বা আচরণে কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি তার পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। একই সঙ্গে তিনি সবার কাছে মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চান।
তারেক রহমান আরও বলেন, “আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান। এখানে উপস্থিত ভাই-বোনদের মধ্যে যদি কেউ আমার মায়ের কাছ থেকে কোনো আর্থিক ঋণ পেয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। ইনশা আল্লাহ, সেই ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে।”
এরপর জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জানাজা শুরু হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আবদুল মালেক।
জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং কূটনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষ জানাজায় অংশ নেন। এর আগে বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যান জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়। সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে মরদেহটি বের করে তারেক রহমানের গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি বিএনপি সাত দিনের শোক কর্মসূচি পালন করছে।








