মুরাদনগরে ট্রিপল মার্ডার: আটক ৮
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলায় এখন পর্যন্ত আটজনকে আটক করা হয়েছে। র্যাব-১১ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এই আটজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয় বলে শনিবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র্যাব।
আটককৃতদের পরিচয়:
বাচ্চু মিয়া (৫৫), পিতা মৃত আলী আকবর
রবিউল আউয়াল (৫৫), পিতা মৃত ছপি মোল্লা
আতিকুর রহমান (৪২), বাচ্চু মিয়ার ছেলে
মোঃ বায়েজ মাস্টার (৪৩), রবিউল আউয়ালের ছেলে
দুলাল (৪৫), পিতা মালু মিয়া, হায়দরাবাদ এলাকা
আকাশ (২২), দুলাল মিয়ার ছেলে
এছাড়া সেনাবাহিনী পীর কাশিমপুর এলাকা থেকে আটক করে
সবির আহমেদ
নাজিম উদ্দিন বাবুল
মামলার প্রেক্ষাপট:
ট্রিপল মার্ডারের ঘটনার পর নিহত রোকসানা আক্তার রুবির বড় মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার রামপুরার বনশ্রী এলাকা, কুমিল্লার হায়দরাবাদ ও পীর কাশিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের আটক করা হয়েছে।
পুলিশের অবস্থান:
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চলছে। তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ:
গত বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে কুমিল্লার মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি গ্রামে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় একই পরিবারের তিনজনকে। নিহতরা হলেন—খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি (৫৩), ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) এবং মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫)।
রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০) মারাত্মক আহত অবস্থায় বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সামাজিক প্রতিক্রিয়া:
এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।








