ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে।
এরই মধ্যে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে ফোন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফোনালাপে ইরান যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই নেতা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপের তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। কাতারের আমিরের দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধ বন্ধে কাতারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে কথা হয়েছে।
এ সময় আমির শেখ তামিম সংলাপ অব্যাহত রাখা, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন একটি পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান।
প্রস্তাবটিতে সাতটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। এসব শর্ত পূরণ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না ইরান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের পাঠানো প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে প্রস্তাবের সাতটি শর্ত কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
অন্যদিকে, যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে। এ বিষয়ে শিগগিরই জানা যাবে।
ইরানের নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের অনুমোদন ছাড়া তারা কিছুই করতে পারবে না।’
একদিকে ইরানের শর্তসাপেক্ষ প্রস্তাব, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুঁশিয়ারি—সব মিলিয়ে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

দৈনিক নীলিগিরি ডেস্ক